Skip to main content

সপ্তম শ্রেণি: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির প্রথম অধ্যায়ের উপর রচনামূলক প্রশ্ন

 বিষয়: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি
শ্রেণি: সপ্তম (প্রথম অধ্যায়)
রচনামূলক প্রশ্ন:

১। ভার্চুয়াল ক্লাসরুম বলতে কী বুঝ? ভার্চুয়াল ক্লাস রুমের সুবিধা লিখ।

ভূমিকা: বর্তমান প্রযুক্তিনির্ভর যুগে শিক্ষা ব্যবস্থাও আধুনিক রূপ ধারণ করেছে। বিশেষ করে মহামারি কিংবা দূরবর্তী অঞ্চলের জন্য ভার্চুয়াল ক্লাসরুম একটি যুগান্তকারী পদ্ধতি। এটি ইন্টারনেটের মাধ্যমে পরিচালিত একটি শ্রেণিকক্ষ, যেখানে শিক্ষক-শিক্ষার্থী মুখোমুখি না হয়েও একসাথে পাঠদান ও পাঠগ্রহণ করতে পারে।

ভার্চুয়াল ক্লাসরুম বলতে যা বুঝায়: 

ভার্চুয়াল ক্লাসরুম হলো একটি ডিজিটাল শ্রেণিকক্ষ, যেখানে অনলাইন প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে পাঠদান, প্রশ্নোত্তর, আলোচনা, উপস্থাপনা ইত্যাদি কার্যক্রম পরিচালিত হয়।

ভার্চুয়াল ক্লাসরুমের সুবিধা:

১. শিক্ষার্থীরা ভার্চুয়াল ক্লাসরুমে ঘরে বসে শিক্ষা গ্রহণের সুযোগ লাভ করে।

২. শিক্ষার্থীরা ভার্চুয়াল ক্লাসরুমে সময় ও অর্থ সাশ্রয় হয় ও স্কুলে যাতায়াতের প্রয়োজন হয় না।

৩. ভার্চুয়াল ক্লাসরুমে ক্লাস মিস হলে রেকর্ড করা ক্লাস পরেও দেখা যায়।

৪. ভার্চুয়াল ক্লাসরুমে শিক্ষার্থী ও শিক্ষক উভয়ের ডিজিটাল দক্ষতা বাড়ে।

৫. মহামারির সময়েও পড়াশোনা চালিয়ে যাওয়া যায়।

৬. ভার্চুয়াল ক্লাসরুমে বিশ্বমানের শিক্ষার সুযোগ লাভ করা যায় ও বিদেশি কোর্স বা শিক্ষকের সংস্পর্শে আসা যায়।

৭. ভার্চুয়াল ক্লাসরুমে অ্যানিমেশন, ভিডিও, স্লাইড—এই সব উপকরণে ক্লাস আকর্ষণীয় হয়।

৮. ইচ্ছেমতো গতি অনুযায়ী ক্লাস দেখা ও শেখা যায়।

উপসংহার: ভার্চুয়াল ক্লাসরুম আধুনিক শিক্ষাব্যবস্থার এক গুরুত্বপূর্ণ অংশ। এর মাধ্যমে দূরবর্তী ও সুবিধাবঞ্চিত শিক্ষার্থীরাও মানসম্মত শিক্ষা লাভ করতে পারে। তবে এর সঠিক ব্যবহার ও ইন্টারনেট সুবিধা নিশ্চিত করাই এখন বড় চ্যালেঞ্জ।


২। GPS কী? ব্যক্তি জীবনে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির ব্যবহার লেখ।

ভূমিকা: বর্তমান যুগ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (ICT)-নির্ভর এক আধুনিক সময়। আমাদের ব্যক্তিগত জীবন থেকে শুরু করে শিক্ষাক্ষেত্র, চিকিৎসা, ব্যবসা, ভ্রমণসহ প্রতিটি ক্ষেত্রেই ICT-এর ব্যবহার বৃদ্ধি পেয়েছে। GPS হচ্ছে এই প্রযুক্তির একটি উল্লেখযোগ্য উদাহরণ, যা আমাদের দৈনন্দিন জীবনকে সহজ, গতিশীল ও নিরাপদ করে তুলেছে।

GPS এর পরিচয়:

GPS (Global Positioning System) হলো একটি স্যাটেলাইট-ভিত্তিক দিক নির্ধারণ প্রযুক্তি, যা ব্যবহারকারীর অবস্থান, গতি ও সময় নির্ধারণ করতে সহায়তা করে।


ব্যক্তি জীবনে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির ব্যবহার:

১. মোবাইল ফোন, ইমেইল, মেসেঞ্জার ও ভিডিও কলের মাধ্যমে সহজে যোগাযোগ সম্ভব।

২. অনলাইন ক্লাস, ডিজিটাল কনটেন্ট ও ভার্চুয়াল লাইব্রেরির মাধ্যমে জ্ঞান অর্জন।

৩. GPS-এর সাহায্যে নিখোঁজ ব্যক্তি বা যানবাহনের অবস্থান জানা যায়।

৪. GPS-এর সাহায্যে মোবাইল ব্যাংকিং, অনলাইন পেমেন্ট ইত্যাদির মাধ্যমে আর্থিক কাজ সহজ হয়েছে।

৫. GPS-এর সাহায্যে ইউটিউব, ফেসবুক, অনলাইন গেমস, টিভি অ্যাপের মাধ্যমে ঘরে বসেই বিনোদন উপভোগ।

৬. GPS-এর সাহায্যে অনলাইনে ডাক্তার দেখানো, স্বাস্থ্য পরামর্শ নেওয়া ও রিপোর্ট সংগ্রহ করা।

৭. GPS ট্র্যাকিং ব্যবহারে গাড়ি, শিশু বা বয়স্কদের অবস্থান জানা যায়।

৮. গুগল ম্যাপ ও GPS ব্যবহারে অজানা পথেও চলাচল সহজ।

উপসংহার: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি ব্যক্তি জীবনে অভাবনীয় পরিবর্তন এনেছে। এর সুফল গ্রহণ করে জীবনকে আরও নিরাপদ, সহজ ও কার্যকর করা সম্ভব। GPS-এর মতো প্রযুক্তি আমাদের দৈনন্দিন চলাফেরায় দিক নির্দেশনা ও সুরক্ষা নিশ্চিত করে, যা আধুনিক জীবনের অপরিহার্য অংশ হয়ে উঠেছে।

৩। ই-বুক রিডার বলতে কী বুঝ? কাগজবিহীন ভর্তি প্রক্রিয়া সম্পর্কে বর্ণনা কর।

ভূমিকা: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির উন্নতির ফলে শিক্ষা, দপ্তর, স্বাস্থ্যসহ সব ক্ষেত্রে ডিজিটাল ব্যবস্থা গড়ে উঠেছে। বই পড়া, ভর্তি, আবেদনসহ নানা কার্যক্রম এখন অনলাইনে সম্পন্ন হচ্ছে। এর মধ্যে ই-বুক রিডার ও কাগজবিহীন ভর্তি প্রক্রিয়া অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।


ই-বুক রিডার এর পরিচয়: ই-বুক রিডার হলো একটি ডিজিটাল যন্ত্র বা অ্যাপ, যা ইলেকট্রনিক বই (eBook) পড়ার জন্য ব্যবহৃত হয়। এর মাধ্যমে হাজার হাজার বই একসঙ্গে সংরক্ষণ ও পড়া যায়। উদাহরণ: Amazon Kindle, Google Play Books ইত্যাদি।


কাগজবিহীন ভর্তি প্রক্রিয়া:

১. শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের নির্ধারিত ওয়েবসাইটে গিয়ে অনলাইনে ভর্তি ফর্ম পূরণ করতে হয়।

২. জন্মসনদ, ছবি, রেজাল্ট শিটসহ প্রয়োজনীয় কাগজ স্ক্যান করে আপলোড করা হয়।

৩. মোবাইল ব্যাংকিং বা অনলাইন পেমেন্টের মাধ্যমে ভর্তি ফি পরিশোধ করা যায়।

৪. ভর্তি অনুমোদন, পরীক্ষা তারিখ ইত্যাদি ডিজিটালি জানানো হয়।

৫. লাইনে দাঁড়ানোর ঝামেলা ছাড়াই ঘরে বসে ভর্তি কার্যক্রম শেষ করা যায়।

৬. কোনো প্রিন্ট বা হার্ডকপি প্রয়োজন হয় না, ফলে পরিবেশ বান্ধব ব্যবস্থা।

৭. শিক্ষার্থীর সকল তথ্য সফটওয়্যারে সংরক্ষিত থাকে, যা ভবিষ্যতে সহজে ব্যবহার করা যায়।


উপসংহার: ই-বুক রিডার ও কাগজবিহীন ভর্তি প্রক্রিয়া প্রযুক্তির সুফলকে কাজে লাগিয়ে শিক্ষা ব্যবস্থাকে আরও আধুনিক করেছে। এতে সময় ও অর্থ সাশ্রয় হয়, আর শিক্ষার্থীরা আরও দ্রুত ও সহজভাবে সেবা পায়। এসব ব্যবস্থা ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার পথকে আরও মজবুত করেছে।


৪। রোবট কী? কর্মক্ষেত্রে ইন্ড্রাস্ট্রিয়াল রোবটের ভূমিকা বর্ণনা কর।

ভূমিকা: চতুর্থ শিল্পবিপ্লবের যুগে প্রযুক্তি আমাদের জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে প্রভাব বিস্তার করছে। এরই এক বিস্ময়কর আবিষ্কার হচ্ছে রোবট। রোবট এখন শুধু গবেষণাগারে নয়, শিল্পকারখানা, হাসপাতাল, ঘর-গৃহস্থালিতেও ব্যবহৃত হচ্ছে। বিশেষ করে ইন্ডাস্ট্রিয়াল রোবট আধুনিক উৎপাদনশীলতা ও দক্ষতার প্রতীক।


রোবট এর পরিচয়:

রোবট হলো একটি স্বয়ংক্রিয় যন্ত্র বা মেশিন, যা মানুষের মতো নির্দেশনা অনুসরণ করে কাজ করতে পারে। এটি সফটওয়্যার ও সেন্সর দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়ে বিভিন্ন জটিল কাজ দ্রুত ও নিখুঁতভাবে সম্পন্ন করে।


ইন্ডাস্ট্রিয়াল রোবটের ভূমিকা:

১. ইন্ডাস্ট্রিয়াল রোবট মেশিনের সাহায্যে কারখানায় উৎপাদন প্রক্রিয়া স্বয়ংক্রিয়ভাবে সম্পন্ন করে।

২. রোবট দ্রুত ও নিখুঁতভাবে কাজ করতে সক্ষম, ফলে উৎপাদন বৃদ্ধি পায়।

৩. আগুন, তাপ, রাসায়নিক বা ভারী যন্ত্রপাতির মতো ঝুঁকিপূর্ণ কাজে রোবট ব্যবহৃত হয়।

৪. রোবট ক্লান্ত না হয়ে ২৪ ঘণ্টা কাজ করতে পারে।

৫. প্রতিটি পণ্যের গুণগত মান একই রাখতে রোবট গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

৬. শ্রমিক খরচ কমায় কোম্পানির উৎপাদন খরচ হ্রাস পায়।

৭. রোবট নির্ধারিত প্রোগ্রামের ভিত্তিতে নির্দিষ্ট নিয়মে কাজ করে, ভুলের সম্ভাবনা খুবই কম।

৮. রোবট মানুষকে ভারী ও একঘেয়ে কাজ থেকে মুক্ত করে, ফলে মানুষ সৃজনশীল কাজে মনোযোগ দিতে পারে।

উপসংহার: রোবট এবং ইন্ডাস্ট্রিয়াল রোবট প্রযুক্তিনির্ভর আধুনিক বিশ্বের অপরিহার্য অংশ। এগুলোর ব্যবহার কর্মক্ষেত্রে গতি, নির্ভুলতা ও উৎপাদন বাড়িয়ে এনেছে বিপ্লব। তবে মানুষের কর্মসংস্থানের বিষয়টিও গুরুত্ব দিয়ে ভাবা উচিত, যেন প্রযুক্তির সাথে মানুষ একসাথে অগ্রসর হতে পারে।

৫। ই-কার্ড বলতে কী বুঝ? সামাজিক সম্পর্ক উন্নয়নে আইসিটির ভূমিকা লেখ।

ভূমিকা: বর্তমান বিশ্বের যোগাযোগব্যবস্থা আগের চেয়ে অনেক সহজ, দ্রুত ও কার্যকর হয়েছে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (ICT)-এর কারণে। শুভেচ্ছা, শুভদিন উদযাপন বা সম্পর্ক বজায় রাখতে এখন হাতে লেখা কার্ডের পরিবর্তে ই-কার্ড ব্যবহারের প্রচলন বেড়েছে। এছাড়া ICT সামাজিক সম্পর্ক গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।


ই-কার্ড বলতে যা বোঝায়:

ই-কার্ড হলো একটি ডিজিটাল শুভেচ্ছা কার্ড, যা ই-মেইল, মেসেঞ্জার বা অন্যান্য অনলাইন মাধ্যমে পাঠানো যায়। এটি জন্মদিন, ঈদ, নববর্ষ, বিবাহ বা অন্যান্য বিশেষ দিবসে শুভেচ্ছা জানানোর আধুনিক ও পরিবেশবান্ধব পদ্ধতি।


সামাজিক সম্পর্ক উন্নয়নে ICT-এর ভূমিকা: 

১. মেসেঞ্জার, ই-মেইল, ভিডিও কল ইত্যাদির মাধ্যমে দূরের মানুষও কাছের হয়ে যায়।

২. ICT এর মাধ্যমে ছবি, ভিডিও, পোস্টের মাধ্যমে বন্ধু ও পরিবারের সঙ্গে স্মৃতি ভাগ করা যায়।

৩. ই-কার্ড বা ডিজিটাল বার্তার মাধ্যমে সম্পর্ক আরও দৃঢ় হয়।

৪. ICT এর মাধ্যমে কোনো দুর্ঘটনা বা অসুবিধার সময় দ্রুত যোগাযোগের মাধ্যমে সহানুভূতি জানানো যায়।

৫. সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে হারিয়ে যাওয়া বন্ধুর সঙ্গে পুনঃসংযোগ সম্ভব।

৬. ICT প্ল্যাটফর্মে অনুভূতি প্রকাশ করে মানসিক সাপোর্ট পাওয়া যায়।

৭. ICT ব্যবহার করে বিভিন্ন জাতি, দেশ বা সংস্কৃতির মানুষদের সঙ্গে পরিচয় ও সম্পর্ক গড়ে ওঠে।

৮. ব্যস্ততার মধ্যেও ICT ব্যবহার করে নিয়মিত যোগাযোগ রাখা সম্ভব।


উপসংহার: ই-কার্ডের মতো প্রযুক্তিনির্ভর উপকরণ ও ICT আমাদের সামাজিক জীবনকে আরও প্রাণবন্ত ও সংবেদনশীল করে তুলেছে। এতে করে মানুষে মানুষে দূরত্ব কমে আসছে এবং সম্পর্ক আরও মজবুত হচ্ছে। প্রযুক্তির সুচিন্তিত ব্যবহার আমাদের পারস্পরিক সম্পর্কের বন্ধনকে দৃঢ় করে তুলতে পারে।


৬। কয়েকটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের নাম লিখ। তুমি কোন কোন ক্ষেত্রে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহার করো লেখ।

ভূমিকা: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির (ICT) অভাবনীয় উন্নতির ফলে পৃথিবী আজ ‘গ্লোবাল ভিলেজ’-এ পরিণত হয়েছে। এই বিশ্বজনীন সংযোগ সম্ভব হয়েছে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের (Social Media) মাধ্যমে। এগুলো আমাদের জীবন, কাজ ও যোগাযোগে অসাধারণ পরিবর্তন এনেছে।


কয়েকটি জনপ্রিয় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম:

১. ফেসবুক (Facebook)

২. হোয়াটসঅ্যাপ (WhatsApp)

৩. ইনস্টাগ্রাম (Instagram)

৪. টুইটার (Twitter/X)

৫. মেসেঞ্জার (Messenger)

৬. টেলিগ্রাম (Telegram)

৭. ইউটিউব (YouTube)

৮. লিঙ্কডইন (LinkedIn)

৯. স্ন্যাপচ্যাট (Snapchat)

১০. টিকটক (TikTok)


যে যে ক্ষেত্রে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহার করি: 

আমি যে যে ক্ষেত্রে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহার করি তা তালিকা আকারে নিচে উল্লেখ করা হলো-

১. মেসেঞ্জার ও হোয়াটসঅ্যাপ ব্যবহার করে বন্ধুদের সঙ্গে চ্যাট করি।

২. ইউটিউব ও ফেসবুকে শিক্ষামূলক ভিডিও দেখি ও বিভিন্ন বিষয়ের তথ্য সংগ্রহ করি।

৩. ইনস্টাগ্রাম ও ফেসবুকে ছবি ও ঘটনা শেয়ার করি।

৪. ফেসবুক রিল, টিকটক ও ইউটিউব ভিডিও দেখি।

৫. ফেসবুক ও টুইটার থেকে তাৎক্ষণিক সংবাদ পাই।

৬. কখনও গুগল মিট বা ফেসবুক গ্রুপের মাধ্যমে ক্লাস করি।

৭. জন্মদিন বা উৎসবে ই-কার্ড ও মেসেজ পাঠাই।

৮. লিঙ্কডইনের মাধ্যমে প্রফেশনাল নেটওয়ার্ক তৈরি করি।


উপসংহার: সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এখন আমাদের জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ। এটি 

শুধু বিনোদন নয়, শিক্ষা, তথ্য ও সম্পর্ক রক্ষার মাধ্যম হিসেবেও গুরুত্বপূর্ণ। তবে এর যথাযথ ও সচেতন ব্যবহার আমাদের জীবনে সুফল বয়ে আনতে পারে

Comments

Popular posts from this blog

Cultural Conflicts between East and West According to A Passage to India

Cultural Conflicts between East and West According to A Passage to India “Oh, East is East, and West is West, and never the twain shall meet...” -Rudyard Kipling The Ballad of East and West E. M. Forster's (1879-1970) "A Passage to India" (1924) attempts to bring East and West-the colonizer and the colonized in one circle of life breaking the boundaries of geography, culture, religion, race and cast Dr. Aziz's attempts to be decent to the English, his subsequent arrest, trial and final anti-English sentiments prove that there is an unbridgeable gulf between East and West.   The novel begins and ends with a question - can the English and Indian races be friends and, at the end of the novel, the answer appears to be no, "No, not yet". "Why can't we be friends now?" said the other, holding him affectionately.... But ………. they said in their hundred voices, "No, not yet," and the sky said, "No. not there"   As pa...

Social Picture in the "Prologue to the Canterbury Tales"

Social Picture of English Society in the "Prologue to the Canterbury Tales" Geoffrey Chaucer was a poet and representative of the 14th century. He represents his own age and society and holds the mirror to his time and society. His poetry reflects the 14th century not in fragments but as an entire. The Prologue to The Canterbury Tales forms an exquisite commentary upon English life. This is in the Middle Ages. The group of pilgrims in the "Prologue to the Canterbury Tales" is itself an unparalleled picture of the society of Chaucer’s time. Here are some thirty persons belonging to the foremost different classes. The Knight is the picture of a professional and knowledgeable soldier. He is coming straight from foreign wars with clothes all stained from his armor. The variety of lords for whom he has fought suggest that he's some kind of mercenary. But it seems that Chaucer may have known people at English court with similar records. However, Chaucer writes closel...